1. live@www.prime-news24.online : - : - -
  2. info@www.prime-news24.online : - :
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গোয়াইনঘাটে ২ পিকআপ ভর্তি ভারতীয় জিরা জব্দ, অধরা মূল হোতা কালা ও নুরু সিলেট সীমান্তে সক্রিয় সেই আলোচিত ‘শ্যাম কালা’: চোরাচালান ও মানবপাচারের দৈনিক চাঁদা লাখ টাকা! ৪ লাখ নিবন্ধনের মাইলফলক অর্জন করলো ‘গ্রামীণফোন একাডেমি : এআই কোর্সগুলোতে ব্যাপক সাড়া গোলাপগঞ্জে মামলা তুলে নেওয়ার বিনিময়ে ৮০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিলের জের: বিশ্বনাথে প্রবাসী ছাত্রলীগ নেতার বাড়িতে সশস্ত্র হামলা, ব্যাপক তাণ্ডব! দশ বছ‌রে গ্রামীণ‌ফো‌সের মাইজিপি অ্যাপ মেডিকেল ছাত্রী আনিকা নিখোঁজ, লন্ডনে থাকা সমকামী সঙ্গী আশনাসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা সিলেট মহানগর তৃণমূল হকার ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক কমিটি গঠন সিলেটে বিএনপির নেত্রীর ব্যবসায় সাংবাদিক সেজে যুব মহিলা লীগ নেত্রীর চাঁদা দাবি নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিলের জের: বিশ্বনাথে প্রবাসী ছাত্রলীগ নেতার বাড়িতে সশস্ত্র হামলা, ব্যাপক তাণ্ডব!

মোটরসাইকেল মেকানিক এখন টেলিভিশন সাংবাদিক: কোম্পানীগঞ্জে তোলপাড়

সিলেট প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬
  • ৫৪০ বার পড়া হয়েছে

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় এক মোটরসাইকেল মেকানিকের রাতারাতি টেলিভিশন সাংবাদিক বনে যাওয়া নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও সংবাদকর্মী মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে। পেশাদারিত্ব ও নূন্যতম যোগ্যতা ছাড়াই অর্থের বিনিময়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ কার্ড পাওয়ায় সাংবাদিকতা পেশার মানহানি হচ্ছে বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা।

জানা যায়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি কোম্পানীগঞ্জের বাসিন্দা শফিকুল ইসলামকে এশিয়ান টেলিভিশনের ‘অপরাধের খোঁজ’ নামক একটি অনুসন্ধানী প্রোগ্রামের ক্রাইম রিপোর্টার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে এলাকার স্থানীয়দের মধ্যে তিনি একজন মোটরসাইকেল মেকানিক হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। হঠাৎ করে সাংবাদিকতার মতো একটি সংবেদনশীল পেশায় তার এই নাটকীয় প্রবেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রল ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শফিকুল ইসলাম কোনো রাখঢাক ছাড়াই জানান, অর্থের মাধ্যমেই তিনি এই পরিচয় অর্জন করেছেন। তিনি বলেন: “টাকা হলে সবই করা সম্ভব। জুলিয়া পারভীন নামের একজন ক্রাইম রিপোর্টার আপু আমাকে এই কার্ডের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এখন থেকে আমি সাংবাদিক।”

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে এশিয়ান টেলিভিশনের সিলেট বিভাগীয় প্রধান পিংকু দাস নিজের অজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তবে নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, “আমি এই নিয়োগের বিষয়ে জানি না। তবে এই টেলিভিশনে টাকা দিলে যে কাউকে নিয়োগ দিয়ে দেয়-এমন কথা প্রচলিত আছে।”

স্থানীয়রা বলছেন, সাংবাদিকতার মতো একটি মহান পেশায় যদি নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা বা অভিজ্ঞতা ছাড়া কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়, তবে প্রকৃত পেশাদার সাংবাদিকদের ভাবমূর্তি সংকটে পড়বে। বিশেষ করে ‘টাকা দিলে কার্ড পাওয়া যায়’-এমন স্বীকারোক্তি সাংবাদিকতার নীতিশাস্ত্রের পরিপন্থী।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট