
২০২৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে তার বাসায় যায়। তবে ওই সময় তাকে বাসায় পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে দেশ ছেড়ে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন।
অভিযোগ রয়েছে, যুক্তরাজ্যে অবস্থানকালে ফখরুল ইসলামকে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে দেখা গেছে।
ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের ২৩ জুন বাদী আব্দুল হাকিম চৌধুরী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় ফখরুল ইসলামসহ আরও কয়েকজনের নাম রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ফখরুল ইসলাম নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ৭ নম্বর নন্দীরগাঁও ইউনিয়নের একজন নেতা ছিলেন। তার বিরুদ্ধে এলাকায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে গোয়াইনঘাট এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ব্যর্থ করতে তিনি কাজ করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত ছিলেন।
এছাড়াও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে তিনি এলাকায় প্রভাব বিস্তার, জোরপূর্বক চাঁদা আদায়সহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।
পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারের জন্য বাসায় গেলে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের একটি অংশ তার বিচার দাবি করেন। স্থানীয় থানার পুলিশ জানিয়েছে, ফখরুল ইসলাম দেশে ফিরলে তাকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইন অনুযায়ী দ্রুত বিচার কার্যক্রম নিশ্চিত করা হবে।