1. live@www.prime-news24.online : - : - -
  2. info@www.prime-news24.online : - :
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গোয়াইনঘাটে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার নেতৃত্বে ডাকাতির চেষ্টা: দুইজনকে আটকে গণপিটুনি গোয়াইনঘাটে জামায়াত কর্মীকে খুঁটির সাথে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ মাদকাসক্তের বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর থানার ওসির ছত্রছায়ায় খনিজ সম্পদ লুট ও মাদকের হাট: মাসিক আয় অর্ধকোটি প্রবাসে ছাত্রদল নেতার ফেসবুক পোস্ট, দেশের বাড়িতে হামলা, বাবার মৃত্যু ও মামলা এশিয়ান টিভির চেয়ারম্যান হলেন রূপায়ণ গ্রুপের মো. লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল প্রাচনী পিলার ও কয়েন চক্রের ১০ পর্বের ২য় পর্ব আহাদুল ইসলাম দুলাল ও আব্দুল মনসুর পরিচালিত প্রাচীন পিলার ও কয়েন প্রতারণা চক্র রাশিদার রাশিফল (দ্বিতীয় পর্ব) : ডাক্তার সাবরিনা রহস্যময়ী রাশিদা: অলৌকিকত্বের আড়ালে এক নিঃসঙ্গ শৈশব : ডা. সাবরিনা আসক এর সিলেট বিভাগীয় কমিটি ২০২৬ অনুমোদন গোয়াইনঘাটে সরকারি গাছ কাটার মহোৎসব: মামলার প্রস্তুতি, নেপথ্যে কারা?

গোয়াইনঘাটে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার নেতৃত্বে ডাকাতির চেষ্টা: দুইজনকে আটকে গণপিটুনি

সিলেট প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৬ বার পড়া হয়েছে

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার সদর ইউনিয়নে এক ব্যবসায়ীকে গতিরোধ করে ডাকাতির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার রাতে বঙ্গবীর-গুরুকচি সড়কে এই ঘটনা ঘটে। এসময় স্থানীয় জনতা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বাহার ও শাহীনকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। তবে অভিযুক্তদের পুলিশে না দিয়ে স্থানীয় জিম্মায় রাখা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোয়াইনঘাটের বঙ্গবীর থেকে গুজরাছি যাওয়ার সড়কে অপরাধী চক্রের তৎপরতা ইদানীং বৃদ্ধি পেয়েছে। মঙ্গলবার রাতে ওই পথ দিয়ে এক ব্যবসায়ী যাওয়ার সময় একদল দুর্বৃত্ত তার গতিরোধ করে। ডাকাতির উদ্দেশ্যে তাকে জিম্মি করা হলে ব্যবসায়ীর স্বজন ও স্থানীয়রা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
এসময় ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী পাঁচজন অভিযুক্তকে শনাক্ত করেন। তারা হলেন, গোয়াইন গ্রামের বাসিন্দা সদর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি বাহার, গুরুকচির বাসিন্দা শাহিন, হিরন, বাসিত ও দিদার।

উপস্থিত জনতা ধাওয়া করে মূল অভিযুক্ত বাহার ও তার এক সহযোগীকে ঘটনাস্থলে ধরে ফেলে গণপিটুনি দেয়। বাকি তিন সহযোগী অন্ধকারে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মুরব্বিদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়। অভিযুক্তদের পুলিশে সোপর্দ না করে বর্তমানে স্থানীয় জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বঙ্গবীর-গুরুকচি সড়কে চুরি ও ডাকাতির ঘটনা প্রায়ই ঘটে। রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় একটি চক্র সক্রিয় থাকায় সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। গতকালের ঘটনার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পরবর্তী সময়ে গ্রাম্য সালিশ বা স্থানীয়ভাবে বিষয়টি ফয়সালার আলোচনা চলছে। তবে এই ঘটনায় এলাকায় এখনও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট